আজ ২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

কটিয়াদীর বৃহৎ চরে মাদকের ভয়ানক থাবা,

কিশোরগঞ্জ জেলার, কটিয়াদি উপজেলার মসূয়া ইউনিয়নের গ্রামঃ চর আলগী, কাজীর
চর, প্রেমার চর, বৈরাগীর চর-কে ও পাকুন্দিয়া উপজেলার, বুরুদিয়া ইয়নিয়নের গ্রামঃ চর মান্দার কান্দিকে একসাথে বৃহৎ চর বলা হয়েছে।

আমাদের চর এলাকার ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, ব্যাক্তিত্ব শুধু মাত্র আমাদের বৃহৎ চরেই সীমাবদ্ধ নয়। মসূয়া ইউনিয়ন , কটিয়াদি উপজেলা, কিশোরগঞ্জ জেলা, সমগ্র বাংলাদেশ তথা আন্তর্জাতিক ভাবেও সমাদৃত। বৃহৎ চরের এই সফলতা একদিনে অর্জিত হয়নি। আর এই সফলতাকে টিকিয়ে রেখে আরো সামনে এগিয়ে নিতে কিশোর, তরুণ ও যুবাদের ভূমিকাই অগ্রগণ্য।
অথচ এই কিশোর, তরুণ, যুবারা মাদকের ভয়ানক থাবায় দিনকে দিন আক্রান্ত হচ্ছে। মাদকের বিষাক্ত ছোবল শেষ করে দিচ্ছে তারুণ্যের শক্তি ও অমিত সম্ভাবনাকে।
ব্যাক্তি ও পারিবারিক জীবনের অবক্ষয়, প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির অসামঞ্জস্যতা, হতাশা এবং সামাজিক মূল্যবোধের অভাব, অসুস্থ ক্ষমতার প্রতিযোগীতা, সঙ্গী দোষের সুযোগ নিয়ে মাদক তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কিশোর, তরুণ ও যুব সমাজের প্রতি। এই মরণ নেশার বিস্তারে সমাজে একদিকে যেমন অপরাধ বাড়ছে, তেমনি ভাবে নষ্ট হচ্ছে সামাজিক শৃঙ্খলা। এই অবস্থা চলতে থাকলে বৃহৎ চরের ঐতিহ্য অন্ধকারের অতল গহব্বরে হারিয়ে যেতে খুব বেশি সময় লাগবেনা।

মাদক মুক্ত বৃহৎ চর গড়তে হলে, মাদকদ্রব্যের প্রাপ্তি যাতে সহজলভ্য না হয় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। মাদকে বৃহৎ চর ও মসূয়া ইউনিয়ন তথা কটিয়াদী উপজেলা ছেয়ে গেছে। এ কথা সর্বমহল থেকে স্বীকারও করা হচ্ছে। মাদকের বিস্তার সম্মন্ধে যখন সকলেই সরল স্বীকারোক্তি করেন তখন মাদকের ভয়াবহতা সহজেই অনুমান করা যায়।
বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সামগ্রিক ভাবে মাদকের বিরুদ্ধে একটি গণজাগরণ সৃষ্টি করতে না পারলে এই গুরুতর সমস্যা থেকে বৃহৎ চরকে রক্ষা করার কোন পথ পাওয়া যাবে না। আর ভবিষ্যতে পাওয়া যাবেনা একজন শিক্ষিত ব্যাক্তি, ভালো খেলোয়াড়, ভালো কর্মজীবী, এমন কি শারীরিক ভাবে সক্ষম একজন দিন মজুর ও।

ধন্যবাদ সহ
আবদুর রহিম
(পি ফাইন্যান্স লিমিটেড)
নরসিংদী , ঢাকা।

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...