আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১২ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

চাটমোহরে পরকিয়া প্রেমিক যুগলকে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ!

পাবনা সংবাদদাতা :

পাবনার চাটমোহরে পরকিয়া প্রেমিক যুগলকে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় চেয়ারম্যানেরই নির্দেশে পরকিয়া প্রেমিক যুগলকে শিকলে বেঁধে অমানবিক নির্যাতনের কথা জানা যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (১২ আগস্ট) রাত ১০ টার দিকে উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের করোকোলা গ্রামের আব্দুল খালেকের বাড়িতে।
পরকীয়া প্রেমিক মো: হেলাল উদ্দিন (২৭) পার্শবর্তী ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা (হঠাৎপাড়া) গ্রামের সিরাজুল ইসলামে ছেলে ও এক সন্তানের জনক ও পরকীয়া প্রেমিকা চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের করোকোলা গ্রামের সুমন আলীর স্ত্রী ও এক সন্তানের জননী।

জানা যায়, হেলাল উদ্দিন ও উক্ত গৃহবধুর মধ্যে প্রায় ৩ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর থেকেই বিভিন্ন সময় তারা একে অপরের সাথে দেখা করতো ও একান্তে সময় কাটাতো এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার রাতে গৃহবধু তার পরকিয়া প্রেমিক হেলাল কে ডেকে নিয়ে যায় তার শয়ন কক্ষে।

বিষয়টি প্রতিবেশীরা টের পেয়ে রুমের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পায় এবং বিষয়টা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরজাহান বেগম মুক্তিকে অবগত করে।

এরপর প্রেমিক যুগলকে শিকলে বন্দী করে সারারাত চলে অমানবিক নির্যাতন।

শনিবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যান নুরজাহান বেগম মুক্তি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসে। অষ্টমনিষা ইউপি চেয়ারম্যান সুলতানা জাহান বকুল ও নিমাইচড়া ইউপি চেয়ারম্যান সহোদর বোন হওয়ায় দুইজন মিলে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত চলে দফায় দফায় বৈঠক।

বৈঠকে উক্ত গৃহবধুর স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সংসার করবেনা বলে চলে যায়।

এ সময় চেয়ারম্যানের নির্দেশে চৌকিদার আবার গৃহবধুর স্বামীকে ডেকে এনে সংসার না করলে তাৎক্ষনিক কাবিনের ১ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাপ প্রয়োগ করে।

চেয়ারম্যানের চাপে দরিদ্র সুমন তাৎক্ষনিক ১ লক্ষ টাকা দিতে না পেরে বাধ্য হয়েই ইচ্ছের বিরুদ্ধে বউকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়।

এদিকে পরকিয়া করার অপরাধে চেয়ারম্যান প্রেমিক হেলালের বাবার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা নিয়ে ছেড়ে দেয়।

ঘটনার বিষয়ে গৃহবধুর স্বামী সুমন আলী বলেন, আমি প্রথমে আমার বউকে নিতে চাইনি পরে এক প্রকার বাধ্য হয়েই নিতে হয়েছে। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারবোনা।

এ বিষয়ে নিমাইচড়া ইউপি চেয়ারম্যান নুরজাহান বেগম মুক্তি বলেন, পরিষদে বিচার করে হেলালের বাবাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের বিচার সালিশ তিনি করতে পারেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ।

এ বিষয়ে অষ্টমনিষা ইউপি চেয়ারম্যান সুলতানা জাহান বকুল বলেন, আমি সালিশের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ছিলাম। পরে কি হয়েছে আমি জানি না।

ঘটনার বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা: মমতাজ মহল বলেন, আমি খোঁজ খবর নিয়েছি। এ বিষয়ে নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স্থানীয়ভাবে সমস্যার সমাধান করেছেন।

চাটমোহরে পরকিয়া প্রেমিক যুগলকে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ!

পাবনা সংবাদদাতা :

পাবনার চাটমোহরে পরকিয়া প্রেমিক যুগলকে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় চেয়ারম্যানেরই নির্দেশে পরকিয়া প্রেমিক যুগলকে শিকলে বেঁধে অমানবিক নির্যাতনের কথা জানা যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (১২ আগস্ট) রাত ১০ টার দিকে উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের করোকোলা গ্রামের আব্দুল খালেকের বাড়িতে।
পরকীয়া প্রেমিক মো: হেলাল উদ্দিন (২৭) পার্শবর্তী ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা (হঠাৎপাড়া) গ্রামের সিরাজুল ইসলামে ছেলে ও এক সন্তানের জনক ও পরকীয়া প্রেমিকা চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের করোকোলা গ্রামের সুমন আলীর স্ত্রী ও এক সন্তানের জননী।

জানা যায়, হেলাল উদ্দিন ও উক্ত গৃহবধুর মধ্যে প্রায় ৩ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর থেকেই বিভিন্ন সময় তারা একে অপরের সাথে দেখা করতো ও একান্তে সময় কাটাতো এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার রাতে গৃহবধু তার পরকিয়া প্রেমিক হেলাল কে ডেকে নিয়ে যায় তার শয়ন কক্ষে।

বিষয়টি প্রতিবেশীরা টের পেয়ে রুমের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পায় এবং বিষয়টা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরজাহান বেগম মুক্তিকে অবগত করে।

এরপর প্রেমিক যুগলকে শিকলে বন্দী করে সারারাত চলে অমানবিক নির্যাতন।

শনিবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যান নুরজাহান বেগম মুক্তি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসে। অষ্টমনিষা ইউপি চেয়ারম্যান সুলতানা জাহান বকুল ও নিমাইচড়া ইউপি চেয়ারম্যান সহোদর বোন হওয়ায় দুইজন মিলে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত চলে দফায় দফায় বৈঠক।

বৈঠকে উক্ত গৃহবধুর স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সংসার করবেনা বলে চলে যায়।

এ সময় চেয়ারম্যানের নির্দেশে চৌকিদার আবার গৃহবধুর স্বামীকে ডেকে এনে সংসার না করলে তাৎক্ষনিক কাবিনের ১ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাপ প্রয়োগ করে।

চেয়ারম্যানের চাপে দরিদ্র সুমন তাৎক্ষনিক ১ লক্ষ টাকা দিতে না পেরে বাধ্য হয়েই ইচ্ছের বিরুদ্ধে বউকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়।

এদিকে পরকিয়া করার অপরাধে চেয়ারম্যান প্রেমিক হেলালের বাবার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা নিয়ে ছেড়ে দেয়।

ঘটনার বিষয়ে গৃহবধুর স্বামী সুমন আলী বলেন, আমি প্রথমে আমার বউকে নিতে চাইনি পরে এক প্রকার বাধ্য হয়েই নিতে হয়েছে। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারবোনা।

এ বিষয়ে নিমাইচড়া ইউপি চেয়ারম্যান নুরজাহান বেগম মুক্তি বলেন, পরিষদে বিচার করে হেলালের বাবাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের বিচার সালিশ তিনি করতে পারেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ।

এ বিষয়ে অষ্টমনিষা ইউপি চেয়ারম্যান সুলতানা জাহান বকুল বলেন, আমি সালিশের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ছিলাম। পরে কি হয়েছে আমি জানি না।

ঘটনার বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা: মমতাজ মহল বলেন, আমি খোঁজ খবর নিয়েছি। এ বিষয়ে নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স্থানীয়ভাবে সমস্যার সমাধান করেছেন।

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...